হাত পা অবশ হওয়া স্বাভাবিক নয়। অবশ প্রতিকার, চিকিৎসা এবং করণীয় জানুন, দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনুন। টেলিমেডিসিন সহায়তায় এখনই সমাধান।
ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুনআপনি কি কখনো এমন অনুভব করেছেন যে হঠাৎ করে হাত বা পা অবশ হয়ে যাচ্ছে? ঘুমের মধ্যে হাত বা পা জড়তা অনুভূত হচ্ছে, শক্তি নেই, হালকা বা গভীর অবশতা? এই সমস্যা প্রায়ই অজান্তেই ঘটে এবং অনেক সময় আমরা এটি গুরুত্ব দেই না। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী বা ঘন ঘন অবশতা স্বাস্থ্যের গুরুতর সংকেত হতে পারে।
এই লেখায় আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো: হাত পা অবশ হওয়ার কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা এবং করণীয়, সাথে ঘরোয়া প্রতিকার ও শক্তি ফিরিয়ে আনার কার্যকর উপায়।
দ্রুত সংক্ষেপ: এই ব্লগ পোস্টে আপনি যা শিখবেন: হাত-পা অবশ হওয়ার কারণ ও লক্ষণ, হাত-পা অবশ হলে করণীয়, ঘরোয়া প্রতিকার, কখন ডাক্তারের সাহায্য নেবেন এবং কীভাবে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে ঘরে বসে চিকিৎসা নেবেন।
দীর্ঘ সময় একটি অবস্থানে বসা বা একই পজিশনে থাকা স্নায়ুকে চাপ দেয়। যেমন: ঘুমের সময় হাত বা পা অস্বাভাবিকভাবে চাপের নিচে থাকা। কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় বসা। এই চাপ স্নায়ুর সঙ্কোচন ঘটায়, ফলে হাত বা পায়ে শক্তি কমে যায় এবং জড়তা অনুভূত হয়।
হাত-পা অবশের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল রক্ত চলাচলের ঘাটতি। যদি রক্ত মাংসপেশিতে যথাযথভাবে না পৌঁছায়, সেখানকার স্নায়ু ও পেশিতে অক্সিজেন কমে যায়। ফলশ্রুতিতে হাত-পা জড় হয়ে যায়। উদাহরণ: হঠাৎ দীর্ঘ সময় হাঁটাচলা না করা। শীতল পরিবেশে রক্তনালীর সংকোচন।
শরীরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজের অভাব থাকলে হাত-পায়ে জড়তা, অবশতা বা দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে: ভিটামিন B12, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম।
নিউরোপ্যাথি বা স্নায়ুর ক্ষতি হাত-পা অবশতার একটি বড় কারণ। এটি বিশেষ করে: ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। লম্বা সময়ে হাত-পা দুর্বল ও অবশ হয়।
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন, লো প্রেসার বা হার্টের সমস্যার কারণে রক্ত সঠিকভাবে চলাচল করতে পারে না। ফলে হাত-পা অবশ হতে পারে।
অনেক সময় ঘুমের সময় অজান্তেই হাত বা পা একটি অবস্থানে থাকে, যা স্নায়ু ও রক্তনালীর উপর চাপ তৈরি করে। ফলে ঘুমের পর জড়তা বা শক্তি না থাকা অনুভূত হয়।
হাত বা পা জড় হয়ে যাওয়া, স্পর্শ করলে সুঁই–সুঁই বা ঝাঁপ-ঝাঁপ ভাব অনুভব হওয়া, শক্তি বা ক্ষমতা কমে যাওয়া, হঠাৎ চলাফেরায় অসুবিধা, দীর্ঘ সময় বসা বা ঘুমের পর হাত-পায়ে দুর্বলতা।
ঘন ঘন অবশতা মানে সতর্ক হোন: যদি সপ্তাহে একাধিকবার ঘটে, এটি স্নায়ু বা রক্তনালীর গুরুতর সমস্যা নির্দেশ করতে পারে। আমাদের হোমপেজ থেকে আরও স্বাস্থ্য টিপস জানুন।
যদি হাত বা পা অবশ হয়ে যায়, প্রথম কাজ হলো অবশ অংশ সরানো বা হালকা মোচড়ানো। এটি স্নায়ু ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে।
হাত-পা হালকা জোরে নাড়াচাড়া করা, আঙুলগুলি ঘুরানো ও মুড়ে-খোলা, হাঁটাচলা করা। এই ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং অবশতা কমায়।
শীতল পরিবেশে রক্তনালীর সংকোচন বেশি হয়। হাত-পায়ে হালকা গরম কাপড়, হিটিং প্যাড বা হালকা মাসাজ রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে।
ডিহাইড্রেশনও হাত-পা অবশতার কারণ হতে পারে। দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন।
ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করুন। বিশেষ করে: ভিটামিন B12 (ডিম, মাছ, দুধ), ম্যাগনেসিয়াম (বাদাম, পালং শাক), পটাসিয়াম (কলা, আপেল, কমলা)।
যদি অবশতা দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয় বা ঘন ঘন হয়, তবে নিউরোলজিস্ট বা কার্ডিওলজিস্ট এর পরামর্শ নিন। প্রয়োজন হলে রক্ত পরীক্ষা, ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাফি বা আলট্রাসনোগ্রাফি করা হতে পারে। আপনি আমাদের টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমেও সহজেই পরামর্শ নিতে পারেন।
যদি অবশতা দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয় বা ঘন ঘন হয়, হাত-পায়ে শক্তি কমে যায়, চলাফেরায় সমস্যা হয়, বা অন্য কোনও অস্বস্তি অনুভূত হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক বা ক্রনিক রোগীদের ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আমাদের হোমপেজ থেকে আরও স্বাস্থ্য টিপস জানুন বা টেলিমেডিসিন সেবা নিন।
আমাদের সার্ভিস আপনাকে দ্রুত ডায়াগনসিস, ডায়েট ও ব্যায়ামের পরামর্শ দিতে পারে। ভিডিও কনসাল্টেশনে আপনার লক্ষণ মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও ওষুধ সুপারিশ করা হয়। আমাদের হোমপেজ থেকে আরও স্বাস্থ্য পরামর্শ পান।
এখনই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুনযেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে কথা বলুন
হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়ার ঝামেলা ছাড়াই চিকিৎসা সেবা পান
সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন
অনলাইনেই প্রেসক্রিপশন পান এবং ওষুধ অর্ডার করুন
এই আর্টিকেলটি চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। বিস্তারিত জানতে ডিসক্লেইমার দেখুন।